Head Image...

ক্যাপ্টেন মোঃ আশরাফুল আলম, (শিক্ষা), এনইউপি, বিএন
অধ্যক্ষ
বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ চট্টগ্রাম


অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোঃ আশরাফুল আলম, (শিক্ষা), এনইউপি, বিএন নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ০১ জুন ১৯৯৮ সালে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে শিক্ষা শাখায় কমিশন লাভ করেন। নৌবাহিনীতে যোগদানের পূর্বে তিনি মাদারীপুরস্থ সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজে প্রায় পাঁচ বছর ইংরেজি বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। নৌবাহিনীতে কমিশন লাভের পর তিনি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, বানৌজা ঈসা খান, বিএন ফ্লোটিলা এবং বানৌজা শহীদ মোয়াজ্জম থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি বানৌজা শহীদ মোয়াজ্জম, বানৌজা তিতুমীর ও বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে প্রশিক্ষক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮-০৯ সালে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সামরিক ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল থেকে তুর্কী ভাষা শিখেন এবং দেশে ফিরে তুর্কী ভাষার ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কাজ করেন।

২০১১-১২ সালে তিনি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় সামরিক পর্যবেক্ষক (Military Observer) হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নেভি এ্যাংকরেজ স্কুল এন্ড কলেজ খুলনায় প্রায় পাঁচ (০৫) বছর অধ্যক্ষ হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। নেভাল একাডেমিতে একাডেমিক উইং এর প্রধান ‘ডাইরেক্টর অব স্টাডিজ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নেভাল একাডেমি থেকে তিনি নৌ সদরে নৌ শিক্ষা পরিদপ্তরের ‘ডেপুটি ডাইরেক্টর’ হিসেবে সফলতার সাথে ০৩ (তিন) বছর দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ‘সদাচরণ’, ‘Good Conduct’ এবং ‘Sailors English Conversation Practices ’ বইসমূহ রচনা ও সম্পাদনা করেন। কলেজ ম্যাগাজিন, নৌ গোয়েন্দা পরিদপ্তর প্রকাশিত নৌবাহিনী ত্রৈমাসিক মুখপত্র নৌ পরিক্রমা ও নৌ শিক্ষা পরিদপ্তর প্রকাশিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী বার্ষিকী ‘নাবিক’ এ বিভিন্ন সময়ে তার কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার রচিত উল্লেখযোগ্য কবিতা হচ্ছে-মা, দেশের তরে নৌবাহিনী, আমার পৃথিবী, প্রিয়তমা ইত্যাদি এবং প্রবন্ধ হচ্ছে-মনে পড়ে ইস্তাম্বুল, স্মৃতিতে লাইবেরিয়া, চেতনায় মুজিব শতবর্ষ, কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ইংরেজি উচ্চারণ ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা, নেভাল একডেমির ‘Hands Call’-এ প্রকাশিত ‘Fundamentals of English Pronunciation’ ইত্যাদি।

অত্র কলেজে যোগদানের পূর্বে তিনি নৌসদরে নৌ শিক্ষা পরিদপ্তরের ‘ডাইরেক্টর’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাগত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার ২০২২ সালে তাকে সম্মানজনক শান্তিকালীন পদক ‘নৌ উৎকর্ষ পদক’ (NUP) প্রদান করেন। তিনি দুই সন্তানের বাবা। পুত্র সিফাত বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সাব লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত আছেন এবং কন্যা আফিয়া নৌবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ISSB কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছেন।